EAST BENGAL the Real POWER -The Official Website
EAST BENGAL the Real POWER Fans

বাঙালির ভালোবাসার দৈরথ।

বিদায় বন্ধু, বিদায় প্রেম; কাঁপছি যে আজ অন্য জ্বরে। পাগলপারা কোলকাতা আজ ডার্বি জেতার অহংকারে!

আবেগের ম্যাচ; আত্মসন্মানের ম্যাচ; মর্জাদার লড়াই....অনেক বিশ্লেষন হয় এই একটা ম্যাচের। সদ্য নাম হয়েছে 'ডার্বি', তবে তার আগে 'বড়ো ম্যাচ' বলেই ডাকা হতো বাঙালী ফুটবল প্রেমীদের এই চির আবেগের ম্যাচকে। দুই তির প্রতিদন্দী-ইষ্ট বেঙ্গল ও মোহনবাগান। দু-দলে ভাগ বাংলা, লাল-হলুদ এবং সবুজ-মেরুন। ডার্বি মানেই একটা টানটান উত্তেজনার লড়াই, স্নায়ুর চাপ এবং প্রিয় দল দল গোল করলেই গলা ফাটিয়ে চিৎকার, সে মাঠে হোক বা টিভির পর্দায়! সকাল থেকেই বাজারে ইলিশ-চিংড়ির দাম তুঙ্গে, কেউ আবার ছোঁটে মন্দির-মসজিদ-গির্জায়। আসলে এই ম্যাচটা যে 'হারা চলবে না'-এর ম্যাচ! কোথাও পালতোলা নৌকা, কোথাও আবার জ্বলছে লাল-হলুদ মশাল। গ্যালারী তে ৯০ মিনিট প্রিয় দলের নামে স্লোগান তোলা তো আছেই!

কেউ সারাদিন রিক্সা বা ট্যাক্সি চালিয়ে টাকা জমিয়ে টিকিট কেনেন, কেউ বা বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করে। যুবকরা আবার প্রেমীকা কে মিথ্যে বলে ছুঁটে যায় যুবভারতী বা শিলিগুড়ি কিংবা কটক। বাড়ির লোক দু-দলের সমর্থক হলে তো কথাই নেই, মার মার কাট কাট রব উঠে যায়, আসলে এই ম্যাচের দিন কেউ আপন নয়। ভারতীয় ফুটবল লিজেন্ড, শ্রী প্রদীপ কুমার ব্যানার্জীর কথায়, "সেই যে বাঙাল রা কতো সালে নিজেদের ভিটে-মাটি ছেঁড়ে এপার বাংলায় আশ্রয় নিয়েছিলো, তারপর থেকে তাদের জাত্যাভিমানের একমাত্র রং লাল-হলুদ।" ডার্বি মানেই অঙ্ক আর পাল্টা অঙ্কের লড়াই। কখনোও নিজেদের 'আন্ডারডগ' আবার কখনোও প্রতিপক্ষ কে তাচ্ছিল্য করার লড়াই। কখনোও আবার নিজেরে প্রমান করার লড়াই। এই গ্ল্যামার আর পেশাদারিত্বের যূগে, এই ইষ্ট-মোহনই যে বাঙালি কে এক সুত্রে বাঁধার কাজ করে।

তাই ফুটবল ঘিরে লড়াইটা যেন ৯০ মিনিটের হয়! এটা কারুর ব্যাক্তিগত শত্রুতা মেটানোর দিন না, মারামারি করার ম্যাচ না। যেই জিতুক, দিনের শেষে জিতবে বাঙালির প্রিয় ফুটবল!

 

Related Articles

More Articles

Latest News

More News
Club News Posted on November 01, 2018

লক্ষীবারে পাহাড়ে শিলং বধ করলো ইস্টবেঙ্গল.

খেলার শুরু থেকেই মনে হচ্ছিলো, এ যেন ব...