EAST BENGAL the Real POWER -The Official Website
EAST BENGAL the Real POWER Fans

"Do Dong will give us the I-League" Rasaq Bello

ময়দানের নিঠুর-পরাক্রমী নিয়মানুসারে বহু বিদেশীর ঘটেছে আগমন।কেউ ব্যার্থতার পুঁজি সাথে নিয়ে ফিরেগেছেন তার পুরনো গন্তব্যে,আবার কেউ ফিরে গিয়েও থেকে গেছেন আপামর মানুষের হৃদয়ে।কেউ কোলকাতার প্রত্যাশার চাপে চাপা পড়েছেন,কেউ বা সেই চাপকে জয় করেছেন সুনিপুণ দক্খতায়, আর এই সকলের থেকে তিনি বোধহয় একটু আলাদা।তিনি বোধহয় আজও একই রকম বিচলিত,তিনি বোধহয় আজও প্রতিটি সকালে সবকিছু শুরু করেন নতুন করে।পরিসংখ্যান বলছে তিনি লালহলুদের 103 তম বিদেশী-তিনি এক "অদম্য ইচ্ছাশক্তির" জলন্ত উদাহরণ- "রাজ্জাক বেলো" (প্রসঙ্গত বলে রাখি ব্যাক্তিটির নাম রাজ্জাক,আর পিতার নাম "বেলো"-যা আমাদের উচ্চারনের বর্ণবিপর্যের সাথে পাল্টে হয়েছে আমাগো "বেলো রাজ্জাক" )

নাইজেরিয়ার স্ট্রিট ফুটবল খেলে বড় হওয়া,ফুটবলের সাথে জর্জরিত একটা প্রাণকে সম্মুখীন হতে হয়নি কোনো পারিবারিক আক্রোশের,পাড়ারক্লাবে চুটিয়ে ফুটবল খেলা বেলো স্বপ্ন দেখেছিল এক পেশাদার ফুটবলার হওয়ার।আর সেই স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করতে বেলোর ভারতে আগমন 2001 এ "ফ্রান্সাতে"!পরবর্তীকালে স্যাভিও মেদেরার সালগাওকার ও তার প্রিয় কোচ ডেরেক পেরেরার মহীন্দ্রাতে গিয়ে বদলে যায় তার ফুটবলজীবন। "ডেরেকই আমাকে প্রথমে ফুলব্যাকে খেলান,আগে ডিফেন্সিভ মিড ও লেফট ব্যাক বা হাফ এ খেলতাম"-অকপট স্বীকারক্তি নষ্টালজিক বেলোর। নিজেকে চাপমুক্তো রাখতে ভালোবাসেন,কঠোর পরিশ্রমই যে সাফল্যের চাবিকাঠি-সেকথা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন।কিছুটা দার্শনিক হয়ে বেলোর সারল্যমাখা হাসি থেকে ঠিকরে বেরোয়-"জীবন থেকে শিখতে চাই প্রতিমুহূর্তে,কোনই মানুষই পরিপূর্ণ ও নির্ভুল নয়,জীবনের প্রতিটা সময় থেকে শেখার আছে অনেককিছু"!

প্রতিপক্খের চ্যালেন্জ নিতে অভ্যস্ত ভালোবাসেন জীবনের নতুন চ্যালেন্জ্ঞের স্বাদ গ্রহন করতে, নিজেকে বিশ্বাস করেন,নিজের ক্খমতাকে বিশ্বাস করেন-আর তাই নির্দিধায় গঙ্গাপারের ক্লাব থেকে নতুন অভিজ্ঞার তাগিদে এসেছেন লালহলুদতাঁবুতে,সমালোচকদের জবাবটা দিতে চান ফুটবল মাঠেই।

Bello-Rasaq-EastBengal-Club

ফুটবলমাঠই যে জবাব দেওয়ার জায়গা তা বলেছেন তার সতীর্থ ডংকেও-"ডং এর জন্য দুঃখিত,আমাদের সবাই মিলে ওর পাশে দাড়ানো উচিত,ঐ আমাদের আইলিগ জেতাবে,ওরমতো তরুন-প্রতিভাবান প্লেয়ার খুব কমই দেখেছি" -এক নিঃশ্বাসে বলে গেলেন এক নিঁখুত টিমম্যান।

আই.এস.এল ভারতীয় ফুটবলের এক মজাদার বস্তু,নিচু স্তরে ফুটবলার বাছাই করলেই যে এ দেশের ফুটবল মুলস্রোতে ফিরবে তা বোঝালেন নিজস্ব বাচনভঙ্গিতায়। "আইলিগে খেলা বিদেশীদের মধ্যে খুববেশি পার্থক্য নেই,মেন্ডি হয়তো এদের সকলের থেকে ভালো,ওর থেকেও অনেককিছু শেখার আছে"-আরও একবার বেলো যেনো দলগত সংহতির নির্দেশক। "কোচ আমাকে বিশ্বাস করেন,আমি কোচের বিশ্বষ্ত সৈনিক,মেন্ডি আসবে শুনেও ভাবিনি আমাকে রিজার্ভ বেন্চ্ঞে বসতে হবে"-এই প্রথম বেলো যেন একটু মেজাজী।মনেপ্রানে বিশ্বাস করেন প্রতিনিয়ত, সবাইকে সাথে নিয়ে ঠিকপথেই এগোচ্ছেন আইলিগ জয়ের দিকে ।

সমর্থকদের আবেগকে শ্রদ্ধা করেন ঠিক যেভাবে শ্রদ্ধা করেন নিজের সহযোদ্ধা দীপকমন্ডলকে। "বিজয়ন আমার দেখা সেরা ভারতীয় ফুটবলার,সালগাওকারে থাকার সময়ে ওর বিপরীতে খেলেছিলাম"-বেলো যেন হঠাৎ আরও বেশি নম্র,বিনয়ী। পরক্খনেই বিরক্তির আবহে বললেন-"কোলকাতার সমর্থকদের বুঝতে হবে ফুটবলারদের সবদিন সমান যায়না,আরও ধৈর্য্য ধরুন-ট্রফি আনবই"।

ফুটবলের বাইরে অবসর কাটে টিভির রিমোট হাতে নিয়ে।পরিবারকে মিস করেন সর্বক্খন।3.5 বছরের ছেলে আর 7 বছরের মেয়ে তার ফুটবল বর্হিভূত জীবন,খেলা ছাড়ার পর পরিবারের সাথেই বাকি জীবনটা কাটাতে চান বছর একত্রিশের এই জিদানভক্ত তরুণ।

বিভিন্নরুপে অবতীর্ন হওয়া বেলো বেঁচে থাকতে চান মানুষের মনে-তার কাজের দ্বারা-আর এটাই তার জীবনের স্বার্থকতা।আর আমাদের স্বার্থকতা হয়তো -এক আফ্রিকানের ব্যাতিক্রমী জীবন দর্শনে ভরসা করে আইলিগের স্বপ্নদেখা। কে বলে পারে,নতুন দিন বদলের গান বেলোই রচনা করবে না ??

Compiled & Translated By :- Dr. Tanmoy Ganguly

  • "ডং ই গোল করে আমাদের আইলিগ জেতাবে "- বেলো রাজ্জাক

Kolkata maidan has seen many foreigners over the years. Some have gone back carrying their load of ignominy into the darkness of obscurity and some have kept their place in the hearts of millions of fans even after they are long gone. Some have wilted under the pressure and some have blossomed due to it. He is a bit different. He still starts his mornings as a newcomer, eager to prove himself. According to record books he is the hundred and third foreigners of the red and gold brigade, a burning example of willpower, he is Razaq Bello (In this context it is better be mentioned that his father’s name is Bello and he is actually Razaq that has been changed in the maidan lingo as Bello Razaq).

Growing up playing soccer in the streets of Nigeria he dreamt of becoming a professional footballer and took his first step towards his destiny when he came to India in 2001 to play for Fransa-Pax. Later he played for Salgaocar under Savio Medera and his destiny changed while playing under his favourite Dereck Perreira for Mahindra. “Dereck first introduced me as a fullback, I used to play as a left half of defensive medio” Bello acknowledged. He likes to keep himself tension free and believes that hard work is the only key to success. Sometimes he becomes philosophical- “I want to learn from life. No one is perfect. There is so much to learn every moment.”

Always ready to take up new challenges, believes in himself and his own abilities and that’s why does not hesitate to step in Red and Gold tent changing alliance from the arch rivals because he likes to answer his critiques in the football field as the field is the only place to prove oneself. He conveys this message to his colleague Dong. “Feel sorry for Dong. I have not seen many young talents like him. We all should stand beside him. He will give us the I-league.”

He considers ISL very funny and believes that only through work at the grass root level Indian football can reach the main stream. Sometimes he is the epitome of team unity-“There is not much difference between the I-league foreigners but Mendy is in a different class. There is much to learn from him.” Sometimes his fighting spirit comes to surface- “Even after knowing that Mendy has joined never thought that I will have to sit in the reserves. I am a dedicated soldier; I have faith in my coach.”

East-Bengal-Bello_-Razaq1.jpg

East-Bengal-Bello_-Razaq-Celebration.jpg

East-Bengal-Bello_-Razaq-Interview1.jpg

He respects his colleague Deepak Mondal very much but considers I.M Vijayan as the best. “I played against him while in Salgaokar , he is the best Indian footballer I have seen”-admits Bello.

He is very reverential of the sentiments of Kolkata fans but states -“Supporters must understand that every day do not go same for a player. Please be patient, we will bring the trophy”.

Outside football his time passes watching T.V. After his playing days he wants to spend his life with his family whom he is missing every day.

Razaq Oladimeji Bello wants to live forever in the hearts of the fans through his work that is his idea of fulfilment in life. Our idea of fulfilment is the I-league trophy. Who can say may be he will compose the tunes of our victory song?