EAST BENGAL the Real POWER -The Official Website
EAST BENGAL the Real POWER Fans

‘I suggest Bishu (Biswajit Bhattacharya, East Bengal Club Coach) to field Do Dong as a withdrawl forward’: Samaresh Chowdhury

 বেশিদিন হয়নি ,যেদিন মোড়ের মাথায় চায়ের কাপের আড্ডার সাথে যুক্তির তর্কে উচ্চারিত হত তার নাম,মুরগির লড়াইএর মতো মাঠের লড়াইয়ের প্রধান ভরসা ছিলেন তিনি।কখনও নিঁখুত পাস,কখনও অধিনায়কত্বের আভিজাত্য কিংবা "বাঙাল" বলার নির্মেদ আকর্ষণ-এই সব কিছুই যেন সমার্থক হয়ে গেছে তার নামের সাথে।তিনি সমরেশ চৌধুরী-এক বছর সত্তরের চিরসবুজ ব্যাক্তিত্ব।

দমদম পার্কের ফ্ল্যাটে খোলামেলা আড্ডায় এখনও সেই একটাই শব্দ উচ্চারিত হয় উচ্চস্বরে।"ইষ্টবেঙ্গল" নামটার মধ্যে আজও খুঁজে পান এক স্বপ্নসুখ,যার টানে এখনও তিনি ছুটে যান লালহলুদ তাঁবুতে।আজও সেই বিশ্লেষণ,সেই হতবাক করা বাঙালভাষার মায়াজালে কেটে গেল এক সন্ধ্যা।

আইলিগের আটটা ম্যাচের পর সামান্য হলেও মোহনবাগানকে এগিয়ে রাখলেন তিনি। -"জেজেকে ইষ্টবেঙ্গলের নেওয়া উচিৎ ছিল,সনি নর্ডি ভারতের অন্যতম সেরা খেলোয়ার। ইষ্টবেঙ্গলের এই দলটায় ধারাবাহিকতা কম,ডং নির্ভর হয়ে গেছিল অনেক সময়" ! বাঙলা বনাম গোয়ার একতরফা দ্বৈরথে ভাগ বসিয়েছে ব্যাঙ্গালুরু। এতে আফসোস আছে,কিন্তু তার থেকেও বড় বেদনার বিগত এক দশকে "হৃদয়হরণ" করা খেলোয়ার খুঁজে পাননি তিনি।বহুদিন পর তার মনে ধরেছে বিকাল জায়রুর চোড়া দৌড়টাকে। ইষ্টবেঙ্গলকে দেখার আগ্রহে তার চোখ আজও আটকে থাকে আইলিগের ম্যাড়ম্যাড়ে সম্প্রচারক চ্যানেলে। ভ্রাতৃসম বিশুকে নিয়ে কোটি কোটি বাঙাল বাচ্চাল বাচ্চার মতোই স্বপ্ন দেখেন তিনি।উপভোগ করেন বিশু বনাম চেতলার সন্জ্ঞয়ের ডুয়েলটা।বাঙালী কোচের হাত ধরেই যে বাঙলার ফুটবল আবার সর্বোচ্চ শিখরে পৌছবে-সেই আশায় আজও অতিবাহিত করেন কত নিদ্রাহীন রাত।

"ময়দানটা এখন নোংরামি করার জায়গা,ফিফা থেকে ফেডারেশন এত সুযোগসুবিধা পায়,তবু ফেডকাপটা বন্ধ করে দিতে চাইছে"-সমরেশের দুঃখের কান এটা ঠিক যেরকম তিনি এখনও মনে করেন - শিল্ডের মতোই সন্তোষ ট্রফিটাকেও অনুর্ধ্ব উনিশ করে করে দেওয়া উচিৎ।ISL যে ভারতীয় ফুটবলে নবজাগরণ ঘটাতে পারে-তাতে তিনি কেছুটা হলেও দ্বিধাগ্রস্হ, "রাজ্যসরকার চেষ্টা করছে,ফুটবলটা আমাদেরই স্কুলে স্কুলে পৌছে দিতে হবে"- হঠাৎ তিনি দায়িত্ববান নবজাতক।

আড্ডার শেষপ্রান্তেও ধার্মিক সমরেশের রক্তেরন্ধ্রে প্রস্ফুটিত হল "ইষ্টবেঙ্গলের নাম"!তুখোর বিশ্লষনে ডং এর ব্যার্থতার খতিয়ান দিতে গিয়ে বলেন- " কোরিয়া শুধু এশিয়াতে ভালো,কিন্তু সিস্টেম না বদলালে আরও বড়মন্চ্ঞে সফলতা আসবে না,ডং কে বিশুর আরও বুদ্ধি করে ব্যাবহার করতে হবে,বিশুকে বলবো ওকে উইথড্রলে ফ্রী খেলতে দে ,ঐ ইষ্টবেঙ্গলের সম্পদ" এর পাশাপাশি সমরেশের ব্যাসবাক্য উঠে এল ইষ্টবেঙ্গলের আশার-বানী!"সন্জ্ঞুকেই খেলিয়ে যাক এখন,বিকাশ আর সন্জ্ঞুর দুইপ্রান্তিক দৌড়টাকে ব্যাবহার করতে হবে,সন্জ্ঞু খুবভালো দৌড়বাজ খেলোয়ার |"

ফুটবলে এসেছে টাকার জোয়ার,এতে খুশি হওয়ার পাশাপাশি তিনি কিছুটা চিন্তিত।অভিলাশ-প্রহ্লাদের মতো জুনিয়ররাই যে এ "অভাগা" দেশের ভবিষৎ ,তাদের রক্খা করে সঠিক পথে চালনা করাই যে আমাদের কর্তব্য সেকথা আরও একবার স্বরণ করিয়ে দিলেন তিনি।

এই ময়দানকে রক্খা করার দায়িত্ব সমর্থককুলেরও।যদিও এই সমর্থকদের আবেগ প্রকাশের ধারা পরিবর্তিত হয়েছে সোশ্যাল নেটওয়ার্কের আগমনের সাথে সাথে।"আমাগো সময়ে খেলোয়ারদের লইয়্যা মাতামাতি ছিল দেখনের মতো"-আক্খেপের সুরে দাবি করলেন সমরেশ।

এই ময়দান বদলেছে,আধুনিক হয়েছে ইষ্টবেঙ্গলের পরিসজ্জা।ইডেন পা দিয়েছে দেড়শো বছরে।যুবভারতীতে রোপিত হয়েছে নতুনঘাস,ফ্লাডলাইটের আলোয় রঙিন হয়েছে প্রতিবেশী তাঁবু। শুধু তিনি বদলাননি,তার মতোই আডও আমাদেরও বলতে ইচ্ছা করে - "হাতে মশাল,বুকে বারুদ-আমরা হলাম লালহলুদ" ! তার মতোই আমাদের স্বপ্নটাও এক-আই লিগ জিতে আরও একবার সংবাদ শিরোনামে পৌছবে আমাদের স্বপ্নের দল-- "ইষ্টবেঙ্গলললললললললল "!

Samaresh-Chowdhury-Pintu-East-Bengal-FC

Samaresh-Chowdhury-Pintu-East-Bengal

Compiled & Translated By :- Hindal Palit

 "বিশুকে বলবো -ডং কে উইথড্রলে ফ্রী খেলা"- সমরেশ চৌধুরী

The brilliant passer of the ball. The aggressor on the field. The flag bearer of East Bengal. Samaresh Chowdhury does not any introduction in moidan. The seventy-year-old heart still throbs for red and gold.

In his residence at Dumdum park, the veteran opens his heart out and expresses his undiminished love for his mother club which still propels him to go to field to watch East Bengal on action.

To comment on ongoing I League, Chowdhury though prefers head over his heart. “No doubt, Bagan is hot favorite to do the league double. The class of Sony Norde is unrivalled in present Indian football,” he makes a sharp observation. He strongly feels that East Bengal should have gone for Jeje to bolster their attacking strength. To talk about East Bengal, he feels that team went over -dependent on Do Dong which harmed both the parties. However, the present league table gives him immense delight as two teams from the city occupy two top positions and battle neck to neck for the silverware. The battle of wit between two Bengali coaches also gives him unbridled joy. He still strongly feels that Bengal will inspire India to reach at the apex of his footballing glory.

The rousing entry of Bangalore FC to Indian football circuit doesn’t evade his eye. But East Bengal still remains his top priority. Despite the poor quality of telecasting of I League matches, Pintu da of Moidan remains hooked to television screen if there is a east Bengal match ongoing. From current East Bengal squad, Bikash Jairu captures his imagination. But the lack of quality ball player in modern football pains him a lot.

Like most of the East Bengal supporters, he is too worried about Dong’s sudden loss of form. “I would ask Bishu (Biswajeet Bhattacharya is the gaffer of current east Bengal team) to field Dong as withdrawl forward. We need him to get back to his very best as he is a gem of a player,” Chowdhury continues, “ East Bengal must deploy Sanju and Bikash on both the flanks to use their breakneck speed.”

To talk about present state of Indian fooball, Chowdhury sounds very disappointed. “Even though they get so much aid from Fifa, AIFF still does not want to continue with Federation cup,” he rebuked. To ensure a strong supply line of footballers, he wants Santosh Trophy to be revamped as an under 19 tournament. The emergence of Indian Super League with its pomp and glitz is yet to convince him. Rather he praises present state government for their continuous endeavor to make football popular. “Now we need to step up to spread football in schools,” he speaks with a guardian’s voice.

Unlike their playing days, modern footballers are well paid. Chowdhury appreciates this development and at the same time, he sounds cautious: young players like Avinash Ruidas and Prahlad Roy must not get distracted by the glitter of money and club must give them proper guidance.

He still remembers the madness of fans in their time. The fans remain same vociferous and crazy about their teams. The only difference is now they are more vocal on virtual world rather than on real world. Chowdhury acknowledges the fact and reiterates the importance of supporters to keep the moidan clean.

In last two decades, East Bengal tent goes under many a change. The new cafétearia at club lawn, modern jym give East Bengal tent a real makeover. The neighbor club installs flood light at their club ground. Eden Gardens -the mecca of Cricket -too has also touched the milestone of 150 years. With time, everything does change. But Samaresh Chowdhury’s love for his mother club remains as constant as northern pole. Like a passionate fan, he thunders: fire at hand, heart is bold/ we are army of red and gold. Like millions of supporters, he wants to see his team winning I League and to paint the city in the color of his heart-red and yellow.

Samaresh-Chowdhury-East-Bengal-Club.

Samaresh-Chowdhury-Pintu-East-Bengal-Club